দিনে ৫০ হাজার টেস্ট করা সম্ভব

শেয়ার করুন...

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সরকারের অনুমোদন পেলে গণস্বাস্থ্যের কিট দিয়ে দিনে ৫০ হাজার নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) টেস্ট করা সম্ভব। তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্যকে কিট প্রস্তুত করতে ৫০ কোটি টাকা অর্থ সাহায্যের দরকার। গতকাল বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। বিএসএমএমইউর সাবেক উপাচার্য প্রফেসর নজরুল ইসলাম এবং অধ্যাপক কামরুল হাসান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এ কে আজাদ চৌধুরী এবং অধ্যাপক মোজাহেরুল হক প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। সরকারের বিলম্ব এবং স্বীকৃতির কারণে অন্য কোনো বিজ্ঞানী উদ্ভাবক হিসেবে বিজনের কৃতিত্ব নিয়ে নিতে পারেন বলেও সন্দেহ পোষণ করেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পরীক্ষায় পাসের পর অবশ্যই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট সরকারের অনুমতি পাবে। যা সরকারের স্বাস্থ্য খাত তথা সমগ্র দেশবাসীকে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, সরকার র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটের (গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত কিট) কোনো বিকল্প বিবেচনা করছে না। আমি শতভাগ নিশ্চিত যে, এই কিটের ট্রায়ালটি বিএসএমএমইউতে পাস করবে। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জন্য এখন আক্রান্তদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশবাসীর জন্য কিটগুলোর প্রয়োজনীয় উৎপাদন বিলম্বিত হয়েছে। তিনি বলেন, জাতি কঠিন সময়ের মধ্যে আছে। এই সময়ে গণস্বাস্থ্যের কিট সরকারকে অনেকাংশে সাহায্য করতে পারে। বিএসএমএমইউ কাজ শুরু করেছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় গণস্বাস্থ্যের কিট অনুমোদনে বিলম্ব হচ্ছে। এদিকে বিএসএমএমইউতে ৪০০ কিটের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তবে ফলাফল এখনো পাওয়া যায়নি। দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজনে আরও ৬০০ কিট পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কিট উৎপাদন প্রকল্পের সমন্বয়কারী ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার। ডা. বিজন কুমার শীল জানান, কিটটি অ্যান্টিবডি এবং অ্যান্টিজেন উভয় পরীক্ষার জন্য লালা এবং এমনকি সোয়াব নমুনা পরীক্ষা করার জন্য তৈরি করেছিলেন। এর আগে গত ১৩ মে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল এবং গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার বিএসএমএমইউতে গিয়ে কিট জমা দেন। প্রথম দফায় ২০০ কিট পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। পরে আরও ২০০ কিট দেওয়া হবে।


শেয়ার করুন...